গাইবান্ধা প্রতিনিধি: দাদি ও বাবার হাত ধরে জীবনে প্রথমবারের মতো ভোট দিতে এসে ভীষণ উৎফুল্ল উম্মে জান্নাতুন হাবিবা (পুষ্পিতা)।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে গাইবান্ধা সদর উপজেলার মুন্সিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে এমন আবেগঘন চিত্র দেখা যায়।
গাইবান্ধা সদর উপজেলার মুন্সিপাড়া এলাকার বাসিন্দা পুষ্পিতা দাদি ও বাবার সঙ্গে কেন্দ্রে এসে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। জীবনের প্রথম ভোট ঘিরে তার চোখেমুখে ছিল আনন্দ আর প্রত্যাশার ছাপ।

ভোট প্রদান শেষে উম্মে জান্নাতুন হাবিবা (পুষ্পিতা) বলেন,
“জীবনে প্রথমবার ভোট দিতে পারাটা আমার জন্য অনেক আনন্দের। ছোটবেলা থেকেই ভোট আর দেশের কথা শুনে এসেছি। আজ নিজ হাতে ভোট দিতে পেরে খুব ভালো লাগছে। একটাই চাওয়া দেশের সার্বিক উন্নতি হোক।”
তিনি আরও বলেন,
“সবাই যেন সুন্দর ও সুস্থভাবে বসবাস করতে পারি। সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষ মিলেমিশে থাকুক। যার যার ধর্ম সে পালন করবে কিন্তু উৎসব যার যার, আনন্দ হবে সবার।
তিনি বলেন, প্রথম ভোটার হিসেবে আমার একটাই আশা, দেশ আরও এগিয়ে যাক।”

পুষ্পিতার বাবা জাভেদ হোসেন বলেন,
“সন্তানের জীবনের প্রথম ভোট একজন বাবার জন্য ভীষণ আবেগের মুহূর্ত। গণতন্ত্রের এই চর্চা নতুন প্রজন্মের মাঝে দায়িত্ববোধ তৈরি করবে এটাই আমার বিশ্বাস।”
পুষ্পিতার দাদি রেজিয়া বেগম জানান,
“নাতনিকে সঙ্গে নিয়ে ভোট দিতে এসেছি। ওর জীবনের প্রথম ভোট এটা আমার জন্যও গর্বের বিষয়। ও এত খুশি, সেটাই আমার সবচেয়ে বড় আনন্দ।”

উল্লেখ্য, উম্মে জান্নাতুন হাবিবা (পুষ্পিতা) বর্তমানে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট)
ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (EEE) বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্রী।
এছাড়া, পুষ্পিতার বাবা জাভেদ হোসেন পেশায় একজন সাংবাদিক এবং গাইবান্ধা প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। তার মা শাহজাদি হাবিবা সুলতানা (পলাশ) গাইবান্ধার একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।
Leave a Reply